জিম্বাবুযের বিপক্ষে বাংলাদেশ টাইগার দল হোয়াটওয়াশ এর লজ্জা থেকে মুক্তি পেলো। - Alorpoth24.com | সত্য প্রকাশে কলম চলবেই

শিরোনাম

11 August, 2022

জিম্বাবুযের বিপক্ষে বাংলাদেশ টাইগার দল হোয়াটওয়াশ এর লজ্জা থেকে মুক্তি পেলো।

প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ২১ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে হোয়াটওয়াশ এর সংখ্যা নিজেরাই তৈরি করে রেখেছিল বাংলাদেশ সেই সংজ্ঞায় গণিবত হয় শেষ ওয়ানডের শুরু থেকেই। যার প্রমান হারারে স্পোর্টস ক্লাবে এর মাঠে বিজয়ের ব্যাটে সারা দিতে গিয়ে তামিম ইকবালের এমন রান আউট এখান থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর শব্দ দরজা খোলা ছিল টাইগারদের কিন্তু সেটা ও সম্ভব হয় নি ইভান্সের ১ ওভারে নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুশফিকুর রহিমের বিদায়ে দুইজনই ফিরে যান শূন্য রানে। 



এরপর ধীরগতি মাহমুদুল্লাহকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন এনামুল হক বিজয় সঙ্গে রানের চাকা ও সচল রেখেছিলেন ধীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ জাতীয় দলে আসায় এই ওপেনার প্রথম ওয়ানডের মতো সেঞ্চুরি দেখা পেয়েছিলেন এনামুল হক বিজয়। কিন্তু ভাগ্য সঙ্গে না থাকলে যা হয় এবার ৭৬ রানে আউট হয়ে যান এনামুল হক বিজয়।নিজের ব্যাটিং স্টাইলের সঙ্গে পরিস্থিতি মানিয়ে যাওয়ায় ধীরে ধীরে বড় ইনিংস খেলার সুযোগ ছিল মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের সামনে কিন্তু ৬৯ বলে ৩৯ রানে বোল্ড আউট হয়ে ফিরে যান ২১২ ওয়ানডে খেলা এই মির্ডল অর্ডার ব্যাটসম্যান এরপর টপ অর্ডারের মতো ভেঙে পরে লো অর্ডার ৩৫ রানের মধ্যে চার সঙ্গী হারিয়ে বড় শট খেলার সাহসী ভুলতে শুরু করেছিলেন।

 



শুরু থেকেই দারুণ খেলা আফিফা হোসেন দ্রুবর শেষ পর্যন্ত তিনি ৮১ বলে ৮৫ রানে অপরাজিত থাকলেও ৯ উইকেট হারিয়ে ৫০ ওভার মোকাবেলা করে বাংলাদেশ টাইগার দল রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় ২৫৬ রান প্রতিপক্ষ দল জিম্বাবুয়ে দল বাংলাদেশ দলকে হারাতে হলে ৫০ ওভার খেলে তাদের রান নিতে হবে ২৫৭ রান আর এই লক্ষ নিয়ে মাঠে ব্যাটিং করতে নামে জিম্বাবুয়ে ওপেনার দুই ব্যাটসম্যান। 



প্রথম দুই ম্যাচের তুলনায় সংগ্রহ কম কিন্তু বল হাতে পুরোটাই আগের মতো প্রথম বলেই উইকেট তোলে নেন হাসান মাহমুদ এর পরের ওভারেই আঘাত আনেন মেহেদী হাসান মিরাজ ৭ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার কে হারিয়ে চাপের মধ্যে পরে জিম্বাবুয়ে সেই চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে সক্ষম হন পেস বোলার ইবাদত হোসেন। পরপর দুই বলে দুই উইকেট তোলে নিয়ে চাপের মধ্যে ফেলে দেন বোলার ইবাদত হোসেন প্রথম দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি সিকান্দার রাজাকে আউট করে উল্লাসে মাতেন ইবাদত। 



আর দলীয় ৩১ রানে তাইজুল ইসলাম আরেক ডেঞ্জার ম্যান ইনুসেন্ট কায়ের কে আউট করলে চালকের আসনে বসে বাংলাদেশ এরপর ৪৯ রানে আরও ১ উইকেট হারালে সান্তনার জয়ের শুভাস পেতে শুরু করে টাইগাররা। শেষ উইকেট জুটিতে শুধু পরাজয়ের ব্যবধান কমায় জিম্বাবুয়ে মোস্তাফিজ ৪ উইকেট আর ডেভোডেন্ট ইবাদত ও তাইজুল নেন ২ টি উইকেট।

 


সিরিজ হারলেও সান্তনার জয় দিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোয়াটওয়াশ এর লজ্জা থেকে রক্ষা পেলো বাংলাদেশ। নিজেদের ৪০০ তম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের এটি ১৪৪ তম ম্যাচ আর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৮১ ওয়ানডের মধ্যে টাইগারদের এটি ৫১তম জয়। গত দুই ম্যাচে বাংলাদেশ দল ব্যাটিং ভালো করলে বোলারদের কাছ থেকে তারা সফলতা দেখা পায় নি তবে তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ টাইগার দল যদি শেষ ম্যাচে হারে তাহলে জিম্বাবুয়ের কাছে লজ্জা বা পুরো বাংলাদেশের এটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলাদেশ দল জিম্বাবুয়ের দলের সাথে ওয়ানডেতে তিনো ম্যাচ। হেরেছে। 

 


আর সেই সুযোগটা দেয়নি জিম্বাবুয়ে দলকে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দিয়ে খেলেছে এবং বোলাররা তাদের সেরাটা দিয়ে বোলিং করে দলকে জয়ের আশা দেখাতে শুরু করেছে। গত দুই ম্যাচে বাংলাদেশ দল ভালো বোলিং করে নাই আর সেই জন্য জিম্বাবুয়ে দল বাংলাদেশ দলের দুর্বলতা সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ দলকে হারিয়ে দেয়। শেষ ম্যাচ খেলতে জিম্বাবুয়ে দলকে হারিয়ে হোয়াটওয়াশ থেকে রক্ষা পেল বাংলাদেশ টাইগাররা। 

No comments:

Post a Comment