হোমনায় বাঁশের বেড়া দিয়ে ডিমওয়ালা মাছ নিধনের অভিযোগ - Alorpoth24.com | সত্য প্রকাশে কলম চলবেই

শিরোনাম

02 September, 2020

হোমনায় বাঁশের বেড়া দিয়ে ডিমওয়ালা মাছ নিধনের অভিযোগ

হোমনা(কুমিল্লা) প্রতিনিধি:


কুমিল্লার হোমনায়  উম্মুক্ত জলাশয়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে অবৈধভাবে ডিমওয়ালা মাছ নিধনের অভিযোগ  উঠেছে এক প্রভাবশালী মৎস্য ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে ।  এলাকাবাসির অভিযোগ  উন্মুক্ত জলাশয়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে মাছ শিকার করায় হারিয়ে যাচ্ছে নানা ধরনের দেশিও প্রজাতির মাছ।


বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ভিটিকামিনা, আলীপুর, রামপুর, ফতেরকান্দি,জয়নগর, বাহেরকালমিনা চকের  জলাশয়টি দীর্ঘদিন ধরে  জনগণের  মাছ ধরার জন্য উন্মুক্ত  ছিল।  কিন্ত  এ বছর ভিটিকালমিনা গ্রামের  হোসেন মিয়া, মাইনউদ্দিনসহ কয়েকজন মৎস্য ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট  জলাশয়ের মূখে আড়াআড়ি ভাবে বাঁশের বানা তৈরী করে বেড়া দিয়ে বেড়ার উপরের অংশে অবৈধ কারেন্ট  জাল দেওয়া হয়েছে। এতে বাঁশের তৈরী বানার সাথে পানির স্রোত বাধাগ্রস্থ হয়ে  ধরা পড়ছে ছোট বড় নানা প্রজাতি ডিমওয়ালা দেশীও প্রজাতির মাছ। 


ভিটিকালমিনা গ্রামের মো.কামাল মিয়া  বলেন, এখন বর্ষাকাল। এসময় দেশীও প্রজাতির মাছ বংশ বিস্তার করে। এসময় বাঁশের বাধ দিয়ে ও কারেন্ট জাল ফেলে মাছ ধরার কারনে  দেশীয় প্রজাতির নানা ধরনের মাছ উন্মুক্ত ভাবে বিস্তার লাভ করতে পারছে না। ফলে  হারিয়ে যাচ্ছে দেশিও প্রজাতির সিং. মাগুর, টেংরা, বোয়াইল, পাবদা, পুটি, কই, চিংড়িসহ নানা প্রজাতিয় মাছ। এ বিষয়  গত ২৫ আগস্ট আমি  ইউএনও ও মৎস্য অফিসার বরাবর  লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্ত প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। রহস্যজনক কারনে  সময় ক্ষেপন করে তাদেরকে মাছ নিধনের সুযোগ করে দিচ্ছে।

 

এ বিষয়ে মাছ ব্যবসায়ী হোসেন মিয়া  বলেন,  কামাল মিয়া আমার জমিতে অনেক বছর ধরে বানা দিয়ে মাছ ধরেছে। তখন প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি।  এ বছর  আমি বান দোয়ায় কামাল আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। তা ছাড়া  উম্মুক্ত জলাশয় থেকে বান দিয়ে মাছ  ধরার বিষয়ে আইন আমার জানা নেই। 

হোমনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা  কারিশমা আহমাদ  জাকশি বলেন, উম্মুক্ত জলাশয়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে  প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে মাছ শিকারের কোন অনুমতি নেই।  আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাধ সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেয়েছি।  কিন্ত  তারা বাধ সরাই নাই।

 আজ  ইউএনও স্যারসহ বাধ উচ্ছেদে গেলে  ইউএনও স্যার উচ্ছেদ না করে  সময় দিয়েছে। এতে  অধিকাংশ ডিম ওয়ালামাছ ধরা পড়ার আশংকা রয়েছে। 

  ইউএনও রুমেন দে মুঠোফোনে জানান বাধ  উচ্ছেদ করতে যাই নাই অন্যকাজে গিয়েছিলাম।  আসার সময় বিষয়টি দেখে এসেছি।  উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে  তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

249 comments:

  1. ডিমওয়ালা মাছ ধরা উচিত নয়

    ReplyDelete