আটপাড়ায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইউএনও এবং একদল স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা - Alorpoth24.com | সত্য প্রকাশে কলম চলবেই

শিরোনাম

23 May, 2020

আটপাড়ায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইউএনও এবং একদল স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা


তানজিলা আক্তার রুবি   ঃ 
নেত্রকোনা জেলার আটপাড়ায় করোনা পরিস্থিতি  নিয়ন্ত্রণে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা সুলতানা এবং একদল স্বেচ্ছাসেবক।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে। 
আর তাই উপজেলার করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
নিজের আরাম-আয়েশ কে দূরে ঠেলে দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন হাটবাজার সহ উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছুটে চলেছেন তিনি।


এমনও দেখা গেছে, ভোরের আলো ফোটার আগেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা সুলতানা একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবককে সঙ্গে করে, ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে হাজির হচ্ছেন অসহায় মানুষের দুয়ারে।
উপজেলার মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, অসহায় মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ, করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রতিনিয়ত খোঁজ খবর নেয়া সহ
করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রীর পাশাপাশি ফল-ফলাদি নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। 
করোনা শনাক্ত রোগীর বাড়ির আশপাশের 
লক ডাউন কৃত এলাকায় খাদ্যাভাবে আছেন এমন অসহায়দের খুঁজে বের করে তার ঘরেও নিজ হাতে ত্রাণ তুলে দিচ্ছেন।

উল্লেখ্য যে গত ২২শে মে, শুক্রবার ছুটির দিনেও তিনি নিজে উপস্থিত থেকে এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে নিয়ে, আটপাড়া-তেলিগাতী গুচ্ছগ্রামে ৪৯ টি নিম্নবিত্ত দারিদ্র্য পরিবারের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন এবং আজ ২৩শে মে,  রোজঃ শনিবার, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও  স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে উপজেলা হলরুমে,  ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমামগণের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।
আর এসকল তথ্য আদান প্রদানে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা সুলতানা কে যাবতীয় ভাবে সাহায্য করছে একদল তরুণ মেধাবী স্বেচ্ছাসেবক।
করোনা পরিস্থিতিতে কিছুদিন আগেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা'র সাথে অন্যান্য কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে দেখা গেলেও বর্তমানে ইউএনও, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ব্যতিত অন্য কাউকেই মাঠ পর্যায়ে আগের মতো দেখা যাচ্ছে না।
আটপাড়া উপজেলার সার্বিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে, বর্তমানে  ইউএনও মাহফুজা সুলতানার  ভূমিকা চোখে পড়ার মতো।

No comments:

Post a Comment